ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার ৬ টি উপায়

5/5 - (1 vote)

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার জন্য আপনাকে সময় এবং শ্রম দুটিই দিতে হবে। শুধুমত্র আপনাকে এর সঠিক উপায়টি জানতে হবে। আমরা সকলেই জানি এসব সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটর্ফমগুলো হলো বিনোদনের জায়গা কিন্তু এখন আর তা নেই। সময়ের সাথে সাথে এখন সবকিছু পরিবর্তিত হচ্ছে, নতুন নতুন প্রযুক্তি চলে আচ্ছে। কেবলমাত্র আমাদেরকে সবকিছুর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে।

আরো পড়ুন: ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কিভাবে শুরু করবেন?

অনেকে আছে ইনসস্টাগ্রাম প্রোফাইলে হাজার হাজার ফলোয়ার আছে কিন্তিু সঠিক উপার না জানা থাকার কারণে আসেলে কিছু করতে পারছেন না। মূলত পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার উপর, আপনি কিভারে এটিকে ব্যবহার করছেন।

টাকা আয় করার কথা শুনলেই যেনো মনের ভিতরে এক অন্য রকমের অনুভূতি চলে আসে। এই আর্টিকেলে বেশ কয়েকটি আয়ের মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করেছি আর্টিকেলটি পড়ার পরই আপনার অনুভুতিকে পূঁজি করে আজকেই আপনাকে আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন মাধ্যমটি আপনার জন্য পার্ফেক্ট সেটি দিয়ে শুরু করে দিতে হবে।

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার উপায় সমূহ

আপনি যদি সত্যিই ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা আয় করতে চান তাহলে আপনাকে এই আর্টিকেলটি পুরোপুরি মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে।

আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং কি? সম্পর্কিত একটি কমপ্লিট গাইডলাইন

নিচে থাকা প্রতিটি স্টেপ আপনাকে পড়তে হবে। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি মোটামুটি একটা ভালো ধরণা পেয়ে যাবেন কিভাবে আপনি কি করবেন এবং কেমন করে করবেন।

১। ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আয়

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার জন্য এটি একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এর জন্য আপনাকে সময় এবং শ্রম দুটিই দিয়ে আপনার একাউন্টকে গ্রো করতে হবে মানে আপনার Followers বৃদ্ধি করতে হবে। ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় সম্পর্কে পরবর্তিতে আলোচনা করব।

আপনি ইউটিউবে অথবা ফেসবুকে অনেকের ভিডিও এর মাঝে দেখে থাকবেন তারা হঠাৎ করে ভিডিও টপিকের বাইরে বলে থাকেন-

আজকের এই ভিডিও টা স্পনসর করেছেন এই ওয়েবসাইট। এছাড়াও আরো দেখে থাকবেন, আপনি কি মোবাইলে গেম খেলে খেলে টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে এক্ষনি এই এপসটি ডাউনলোড করুন (এতো সহজে গেম খেলে টাকা ইনকাম করা যেতো কেউ আর চাকরী-বাকরী, কাজ-বাজ করতো না সারাদিন শুয়ে-বসে শুধু গেমই খেলতো আর টাকা উপার্জন করতো)। আরো দেখবেন, আপনি কি ভিডিও দেখে টাকা আয় করতে চান, তাহলে এক্ষণি এই ওয়েবসাইটে সাইনআপ করুন।

আরো পড়ুন: মার্কেটিং কাকে বলে? একটি বিস্তারিত গাইডলাইন

ইত্যাদি আরো অনেক রকমের ভিডিও দেখে থাকবেন। আমার সাজেশন হলো এরকম গেম খেলে, ভিডিও দেখে আয় করুন এমন জায়গায় আপনার মূল্যবান সময়কে নষ্ট না করে এমন জায়গায় আপনার সময় ব্যায় করুন যেখান থেকে সত্যি সত্যি টাকা আয় করা সম্ভব।

তবে অনেক ভালো এপস আছে সেগুলো নিয়ে কাজ করা যেতে পারে। যেমন – এপস এর মাধ্যমে আপনার ইংলিশ স্কিলকে বাড়ানো, মেডিকেল টিপস ইত্যাদি।

আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে আপনার ফ্যান ফলোয়ারদের কি দিচ্ছেন এবং তারা আপনার থেকে কি পাচ্ছে। আপানাকে আপনার Audience অর্থাৎ Followers যারা আছে তাদের মনে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে অথবা ভালোলাগা ভালোবাসার জায়গা তৈরি করে নিতে হবে যেনো আপনি তাদেরকে কোনো কিছু দেখার জন্য অথবা কেনার জন্য উদ্বুদ্ধ করলে তাদের সেটা প্রয়োজন হলে তারা সেটা কিনে ফেলবে। এর মাধ্যমে আপনি ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

আরো পড়ুন: সেল ও মার্কেটিং কি? নিয়ে জটিল সব প্রশ্নের জবাব

অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যাদের থেকে কোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আপনার ইনস্টাগ্রম একাউন্টের মাধ্যমে প্রোমোট করার জন্য ডিস্ট্রিবিউট অর্থাৎ সিদ্ধান্ত নিবেন এবং সেই সাথে আপনার Instagram Followers যারা আছে তাদের কথাও তো মাথায় রাখেতে হবে আপনার ফলোয়ার যারা আছে তারা আপনার মাধ্যমে কতটুকু বেনিফিট পাচ্ছে।

এজন্য যারা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমোট করাবে আপনার মাধ্যমে তাদের থেকে আপনার ফলোয়ার যারা আছে তাদের জন্য ছোট একটা ডিসকাউন্টের ”কুপন কোড” তৈরি করে নিতে পারেন যদি সম্ভব হয়।

এক্ষেত্রে আপনার ফলোয়ারদের জন্য এভাবে রেফার করা যেতে পারে- আমার দেওয়া এই কুপন কোডটি ব্যবহার করার মাধ্যমে ৫% ডিসকাউন্টে এই ওয়েবাসাইট থেকে সার্ভিস বা প্রোডাক্টটি কিতে পারবেন।

কিভাবে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে ইনভাইটেশন পাবেন?

আপনার ইনস্টাগ্রাম একাউন্টকে গ্রো করুন অর্থাৎ Followers বাড়ান তাহেলে দেখবেন আপনাকে খুঁজতে হবে না বরং তারাই আপনাকে খুঁজে নিবে।

এছাড়া আপনি যদি আপনার অডিয়েন্সদের বুঝতে পারেন আপনার ফলোয়ারগুলো কোন বয়সি তাহলে আপনার জন্য কোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমোট করা সহজ হবে।

যেমন ধরুন আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে ২৫ বছর বয়সি থেকে তারও নিচের মানুষজন বেশি তাহলে তাদের কাছে কোনো অনলাইন কোর্চ সেল করা যেতে পারে। এরকম আরো অনেক কিছু আছে যেগুলো প্রোমট করা যেতে পারে। এসব বয়সি মানুষদের প্রয়োজন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে আপনার আয় এর পরিমানটাও বাড়বে।

আরো পড়ুন: পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে?

এক্ষেত্রে আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এমন কারো অনলাইন কোর্চ অথবা কোনো প্রোডাক্ট প্রোমট করা যাবে না যেটাতে আপনার অডিয়েন্সদের উপকারে আসবে না।

মার্কেটিং মানেই হলো মানুষদের ইমোশনাল নিয়ে খেলা করা। আপনি যতোটা মানুষদের মনে দাগ কাটতে পারবেন আপনার সেলের পরিমানটাও ততোগুণ বেড়ে যাবে।

আমরা যারা হুমায়ুন আহমেদের বই পড়েছি তারা সবাই উপলব্ধি করতে পেরেছি তার বই বা উপন্যাসের পাতা শেষ হয়েও যেনো শেষ হলো না। শেষ হওয়ার পরো অসম্পর্ণতা থেকেই যায়। যাইহোক মার্কেটিং নিয়ে কোনো এক আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করব।

কারন এখানে আপনি আপনার ফলোয়ারদের ইমোশন এর উপর মার্কেটিং করছেন। অতএব এমন কিছু প্রোমোট করবেন না যেটাতে আপনার প্রতি আপনার ফলোয়াররা আস্তা বা বিশ্বাস হাড়িয়ে না ফেলে। নয়তো পরবর্তিতে আপনি ভালোকিছু প্রোমট করলেও তারা কোনো কিছু আর কিনতে চাইবে না।

২। স্পনসরশিপ থেকে আয়

স্পনসরশিপ পুরোটাই ইনফ্লুয়েন্সার এর মতো একই ভাবে কাজ করে। স্পনসরশিপ এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনার প্রোফাইলে কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ হাজার রিয়েল ফলোয়ার থাকতে হবে।

যে সকল কোম্পানী তাদের পণ্য আপনার একাইন্টের মাধ্যমে প্রোমট করতে আগ্রহী হবে তাদের পণ্য প্রোমট করার মাধ্যমে কমপক্ষে ১০ ডলার থেকে শুরু করে তারও উপরে আয় করা সম্ভব। আপনার প্রোফাইল যতো বড় হবে আয়ের পরিমান ততো বেশি হবে।

সবথেকে মাজার ব্যপার হলো এর জন্য আপনাকে কোনো প্রকার থার্ডপার্টি ওয়েবসাইটের সম্মুখীন হতে হবে না। ইনস্টাগ্রাম অফিসিয়াল সাইটের মাধ্যমে স্পনসর এর জন্য রিকুয়েস্ট পাবেন। তাদের সাথে কথা-বার্তায় বনাবনি হলে তারাই আপনাকে রিকুয়েস্ট পাঠাবে।

৩। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলকে যেকোনো একটা নিশ বা টপিকের উপর আপনার একাউন্টকে গ্রো করতে হবে। তারপর সেখানে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক প্রোমট করার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কে যদি কেউ ক্লিক করে কোনো কিছু Buy করে তাহলে সেখান থেকে আপনি একটা কমিশন পাবেন। এভাবেই ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা আয় করেতে পারবেন।

যেহেতু ফেসবুকের মতো পোস্টের মাধ্যমে ইনস্টাগ্রমে লিঙ্ক শেয়ার করা যায় না, এক্ষেত্রে যদি সম্ভব হয় ১০০-১৫০ টাকার মধ্যে xyz এক্সটেনশনের ডোমেইন পাওয়া যায় একটা ডোমেইন কিনে জিমেইল দিয়ে ব্লগারে একটা ফ্রি ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে আপনার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট লিস্ট করে অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক দিয়ে রাখবেন এবং ডোমেইন ইউআরএল টি আপনার ইনস্টাগ্রাম একাউন্টে দিয়ে রাখতে হবে। দেখবেন অনেকে সেখানে ক্লিক করে ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে।

আরো পড়ুন: চাকরির ভাইভা প্রস্তুতি এর জন্য ১০ টি কায্যকারি টিপস

এছাড়াও আপনাকে নিয়মিত পোস্ট করে যেতে হবে। কেউ ক্লিক করছে না বা সেল আচ্ছেনা বলে থেমে গেলে চলবে না। রেগুলার আপনার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর পোস্ট করে যেতে হবে। দেখবেন অনেকে পোস্টে কমেন্ট করবে প্রোডাক্টটি কিনতে চাইবে। তখন আপনি তার ইনবক্সে উক্ত প্রোডাক্টটির লিঙ্কটি দিয়ে Buy করতে বলবেন।

৪। ড্রপশিপিং করার মাধ্যমে আয়

ড্রপশিপিং এর মাধ্যমে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করা অনেকটা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মতো কিন্তু কিছু ভিন্নতা আছে। এর জন্য আপনার ওয়েবসাইট থাকতে হবে এবং ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট গুলো লিস্টিং করে রাখতে হবে।

প্রতিদিন ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করতে হবে আপনার প্রোডাক্ট গুলোর এবং সেখান থেকে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে এসে কোনোকিছু ক্রয় করার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সবাই AliExpress কে সবাই বেছে নেয়। ড্রপশিপিং শুরু করার জন্য AliExpress খুবই জনপ্রিয়।

আরো পড়ুন: বাংলায় রিজাইন লেটার লেখার নিয়ম ও ফরমেট

ড্রপশিপিং বিজনেস মূলত যেভাবে কাজ করে তা হলো- AliExpress এ একটা প্রোডাক্টের মূল্য ১০ ডলার আপনি আপনার ওয়েবসাইটে সেই প্রোডাক্টটি ২০ ডলার অথবা তারোও বেশি দিয়ে রাখলেন কেউ যখন সেই প্রোডাক্টি আপানার ওয়েবসাইট থেকে ২০ ডলার দিয়ে কিনবে আপনি তার সেই ইনফর্মেশন ডিটেইলস দিয়ে AliExpress এ সেই প্রোডাক্টটি ১০ ডলার দিয়ে কিনে সাপ্লায়ারদের বলে দিতে হবে তখন তারা আপনার হয়ে সেই প্রোডাক্টি আপনার কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দিবে।

এক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন আপনার কাস্টমারদের থেকে আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পেমেন্ট নেয়ার ক্ষেত্রে। আপনি একজন ফ্রেশার অর্থাৎ নতুন হিসাবে ড্রপশিপিং করাটা ঠিক হবে বলে আমি মনে কিরিনা।

৫। নিজেন বানানো কোনোকিছু বিক্রি করে আয়

আপনি সুতো দিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর মাপলার, টুপি ইত্যাদি এধরনের কোনোকিছু জিনিস বানিয়ে বিক্রি করার মাধ্যমে ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা আয় করা যেতে পারে।

এমন অনেক কিছুই আছে যা আপনি তৈরি করতে পারেন আর সেগুলো আপনার ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে বিক্রি করেতে পারেন।

আপনাকে কমপক্ষে ২-৩ টা করে প্রতিদিন পোস্ট করতে হবে আপনার বানানো জিনিসগুলোর। এখন বলবেন এতো পিক পাবো কোথায়? আপনার বানানো একটা প্রোডাক্টের বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে পিক উঠান এবং ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সেই পিকগুলোই আপলোড দেন।

আপনার বানানো সেই জিনিসগুলো কেউ কেনার প্রয়োজন মনে করলে আপনাকে ইনবক্স করবে অথবা কমেন্ট করবে সেখান থেকে কথা বলার মাধ্যমে আপনি আপনার বানানো জিনিসগুলো বিক্রি করতে পারেন।

৬। জনপ্রিয় প্রোফাইল বিক্রি করে আয়

আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলকে জনপ্রিয় করে সেই প্রোফাইলকে বিক্রি করে দেওয়ার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। বিভিন্ন নিশ বা ক্যাটাগরীর উপর ভিত্তি করে ৫-৭ টা ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট খুলে ফেলুন। তারপর সেই প্রোফাইল গুলোতে অর্গানিক উপায়ে ফলোয়ার বৃদ্ধি করুন। অবশ্যই রিয়েল ফলোয়ার হতে হবে, কোনো রোবোটিক ফলোয়ার হলে হবে না। আপনার প্রোফাইলে হাজার হাজার ফলোয়ার কিন্তু রিয়াক্ট, কমেন্ট কেনাটাই নাই তাহলে তো হলো না।

আরো পড়ুন: কীভাবে আপনার দক্ষতাকে পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং এ পরিণত করবেন

অনেক ওয়েবসাইট আছে যারা রোবোটিক ফলোয়ার সেল করে থাকেন এসব রোবোটিক উপায়ে ফলোয়ার বৃদ্ধি করা থেকে দুরে থাকতে হবে। যে বা যারা আপনার প্রোফাইলটি কিনবে তারা তো রিয়েল ফলোয়ার এসব রিয়াক্ট, কমেন্ট ইত্যাদি একাউন্টের গ্রোথ দেখেই কিনবে তাই না।

আইডিয়া নেয়ার জন্য নিচে দুইটি ওয়েবসাইট দিলাম দেখে আসতে পারেন কতো ফলোয়ারের একাউন্ট কতো টাকায় বিক্রি করতে পারবেন:

  • Fameswap.com
  • Playerup.com

আপনি একজন নতুন হিসাবে কোন টপিকের উপর একাউন্টক খোলা উচিৎ?

আপনি একজন নতুন হিসাবে প্রথমত, বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রিক প্রোডাক্ট অথবা কুকুর কিংবা বিড়াল যেকোনো একটা টপিকের উপর একাউন্ট তৈরি করা যেতে পারে।

যদি কুকুর অথবা বিড়াল নিয়ে একাউন্ট খুলেন তাহলে প্রতি নিয়তো আপনার ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করুন কিভাবে তাদের যত্ন নিতে হয়, কি খাবার গুলো তাদের জন্য অনেক স্বাস্থ্যকর ইত্যাদি বিষয়ক টিপস দেন তাহলে দেখবেন খুব দ্রুত আপনার প্রোফাইল গ্রো করছে। যেহেতু বাহিরের দেশগুলোর মানুষরা এসব প্রাণীদেরকে তাদের নিজের সন্তানদের মতোই লালন-পালান করে থাকেন।
পরবর্তিতে আপনি যখন ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং করবেন তখন অনেক আডিয়া পেয়ে যাবেন আপনার কোন ক্যাটাগরীর উপর একাউন্ট খোলা উচিৎ।

আপনি চাইলে এর মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সেটিও করে আয় করতে পারেন ডগ এবং ক্যাট ফুড অথবা বিভিন্ন এক্সেসরিজ সেল করার মাধ্যমে।

শেষ কথা

অতএব সময় নষ্ট না করে আজে থেকে ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট খুলো ফলোয়ার বাড়ানো শুরু করুন। ইনস্টাগ্রামকে কেবল মাত্র বিনোদনের মধ্যে সিমাবদ্ধ না রেখে ইনকামের জায়গা বানিয়ে ফেলুন।

Leave a Comment